জমজমাট কুয়াকাটার ‘ফিশ ফ্রাই’ মার্কেট

NewsBarisal.com

প্রকাশ : অক্টোবর ৩১, ২০২১, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

নিউজ বরিশাল ডেস্ক ‍॥ সাগরকন্যা কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকদের পছন্দের খাদ্য তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের বারবিকিউ, ফ্রাই ও কাঁকড়া। সন্ধ্যা নামলেই সৈকতের দুইপাশের দোকানগুলোতে বিভিন্ন মাছের স্বাদ নেওয়ার জন্য পর্যটকদের ভিড় বাড়তে থাকে।

সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে পা বাড়ালেই দোকানগুলোতে মেলে সামুদ্রিক টাটকা মাছ। পছন্দের মাছটি কিনে দোকানিকে দিলেই কিছুক্ষণ পর ফ্রাই কিংবা বারবিকিউ হয়ে সে মাছ চলে আসে পর্যটকের প্লেটে।

সৈকতের দুই পাশের দোকান ঘুরে দেখা যায়, চিংড়ি ৫০ থেকে ৫০০, কাঁকড়া ৫০ থেকে ১৫০, টোনা ২০০ থেকে এক হাজার, রূপসা ১০০ থেকে ৫০০, রূপচাঁদা ১০০ থেকে ৫০০, স্যালমন ৩০০ থেকে ৫০০, কোরাল ৫০০ থেকে দুই হাজার, লাক্কা ৫০০ থেকে ৭০০, টুনা ২০০ থেকে এক হাজার, অক্টোপাস ২৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও স্কুইড ৫০ থেকে ৫০০, শাপলাপাতা মাছ ৫০ থেকে ১০০, সামুদ্রিক রুই ২০০ থেকে ৫০০, কালো কোরাল ৫০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মৌসুমভিত্তিক আরও বিভিন্ন মাছের দেখা মেলে এ মার্কেটে। এছাড়া বিভিন্ন সময় দামেও কিছুটা কম-বেশি হয় বলে জানান ফ্রাই দোকানি জামাল হোসেন। তিনি বলেন,

পর্যটকদের ভিড় বাড়ায় আমরা এখন অনেক খুশি। চেষ্টা করছি পছন্দের সামুদ্রিক মাছগুলো পর্যটকদের দিতে। সন্ধ্যার পরই মূলত মাছের দোকানে পর্যটকদের ভিড় বাড়তে থাকে। কাওসার নামে এক দোকানি বলেন, শীতের মৌসুমে মাছের সংগ্রহ আরও বাড়াবো। মাত্র কদিন হলো সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। তাই সামুদ্রিক মাছের দাম একটু বেশি।

তবে কিছুদিন পরে কমে আসবে। সন্ধ্যার পর থেকেই অনেক পর্যটক পাচ্ছি। ঝিনাইদহ থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক সাকিল বলেন, কুয়াকাটায় এসে ফিশ ফ্রাই না খেলে মনে হয় কিছু একটা মিস করছি। এখানে অনেক সামুদ্রিক তাজা মাছ পাওয়া যাচ্ছে। পরিবারের সবাই মিলে বেশ উপভোগ করছি। কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু বলেন,

কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের সময় কাটানো ও সামুদ্রিক মাছের বিভিন্ন স্বাদ নেওয়ার অন্যতম জায়গা ফ্রাই মার্কেট। এখানে ৫০টিরও বেশি দোকান আছে। সন্ধ্যার পর থেকেই পর্যটকদের ভিড় বাড়তে থাকে। মার্কেটটিতে সামুদ্রিক তাজা মাছ পেয়ে পর্যটকরা বেশ খুশি।

 



সর্বশেষ সংবাদ