• বরিশাল
  • »
  • হিজলায় ভূয়া মালিক সেজে চোরাই গরু নেয়ার পায়তারা

হিজলায় ভূয়া মালিক সেজে চোরাই গরু নেয়ার পায়তারা

NewsBarisal.com

প্রকাশ : নভেম্বর ২১, ২০২০, ৬:২৬ অপরাহ্ণ

হিজলা প্রতিনিধি : বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের মাটিয়ালা ও এর পাশবর্তী গ্রাশ থেকে প্রতিনিয়তই উদ্ধার হচ্ছে চোরাই গরু। জানাযায় একটি প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে নিয়ে আসে ঐ মাটিয়ালা এলাকায়। বিভিন্ন সময় ঐ এলাকা থেকে মাটিয়ালা ফাঁড়ির পুলিশ ও হিজলা থানা পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে গরু উদ্ধার করে পুলিশ হেফাযতে নিয়ে আসে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ সুত্রে জানাযায় চোরাই গরু পুলিশ উদ্ধার করলেও বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীদের সুপারিশে প্রকৃত গরুর মালিক না পেলেও ভুয়া গরুর মালিক সাজিয়ে পুলিশের কাছে উপস্থিত হয়। এব্যপারে সরোজমিনে গিয়ে জানাযায় গত ১২ জুলাই ধুলখোলা গ্রামের হানিফ সরদারের বাড়ি থেকে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বেওয়ারিশ হিসেবে ১ টি গরু উদ্ধার করে মাটিয়ালা ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ দীর্ঘদিন গরুর মালিক না পেয়ে বেওয়ারিশ হিসেবে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

সেই বেওয়ারিশ গরু উদ্ধারের পর থেকেই হানিফ সরদার এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আতœগোপনে চলেযায়। বর্তমানে হানিফ গরুর মালিক সেজে আদালতে আবেদন করে। আবেদনের পরিপেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ঐ গরুর প্রকৃত মালিক কে তা জানানোর জন্য উপজেলা প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।

ঐ চক্রের সদস্যরা গোপনে জনপ্রতিনিধিদের কে ম্যানেজ করে প্রানীসম্পদ কর্মকর্তাকে ভ’য়া তথ্য দিয়ে ভুয়া গরুর মালিককে প্রকৃত মালিক সাজিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিভাবে বেওয়ারিশ গরুর প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সুশান্ত দাস বলেন, ঐ খানের এ অবস্থা আমি বুঝতে পারিনী, আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করেই প্রতিবেদন দিয়েছি। কিন্তু গরু ক্রয় বিক্রয় নিয়ে আমাদের কাছে সন্দেহ ছিল।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানায় ঐ চক্রটি স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি নিয়ন্ত্রন করছে। যার ফলে চোর চক্রটি ঐ স্থানকে নিরাপদ মনে করে সেখানে গরু এনে রাখে। এককথায় বলাযায় গরু চুরি চক্রের বড় একটি সিন্ডিগেট সেখানে অবস্থান করছে। যার কারনেই নোয়াখালি, হাইমচর, ভোলা সহ বিভিন্ন এলাকার চোরাই গরু প্রতিনিয়তই সেখান থেকে উদ্ধার করছে পুলিশ। কিন্তু ঐ চক্রটি অধরাই রয়ে যায়।

হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ অসীম কুমার সিকদার জানায় ধুলখোলা ইউনিয়নের মাটিয়ালা সহ আসপাশের এলাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে ঐ এলাকায় ও বিভিন্ন বাড়িতে রাখে, যার ফলে আমরা ঐ এলাকা থেকে বেওয়ারিশ গরু পেয়ে আমরা আটক করে, কাগজপত্র আদালতে প্রেরন করি। কিন্তু একটি চক্র ভুয়া মালিক সাজিয়ে আদালতের মাধ্যমে আমাদের কাছ থেকে গরু নিয়ে যায়, সেখানে আমাদের কিছুই করার থাকে না।

 



সর্বশেষ সংবাদ
রাজাপুর থানা মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইসলামিয়া হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় রুম্মানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ স্মৃতির পাতায় স্বনামধন্য আইনজীবী সাংবাদিক আব্দুল কাইয়ুম হিজলায় কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা বাকেরগঞ্জের মদ বিক্রেতা লুকাস আব্রাহম গোমেজকে ৭ বছরের কারাদন্ড ঝালকাঠির মাদক ব্যবসায়ি জুয়েলকে ১০ বছরের কারাদন্ড বরিশাল প্রেসক্লাব সভাপতিসহ তিন সদস্য’র সুস্থতা কামনা তজুমদ্দিনে ইন্সুরেন্স কর্মকর্তার বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক, বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি নারী কর্মীর বাবুগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতাদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত এমপি শাহে আলমের নেতৃত্বে শিক্ষা বিপ্লবে বানারীপাড়া