• এক্সক্লুসিভ
  • »
  • পুস্তক ব্যবসায়ীদের মানবেতর জীবন যাপন, দেখার কেউ নেই?

পুস্তক ব্যবসায়ীদের মানবেতর জীবন যাপন, দেখার কেউ নেই?

NewsBarisal.com

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২০, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ

মোঃ আজম : শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি হতে পাড়ে না, আজ সেই শিক্ষা সাড়া বিশ্বকে পিছনে ফেলে বিশ্ব আজ প্রায় নিঃস্ব হয়ে পরেছে, সম্মানিত ও আভিজাত্যের ব্যবসা আজ লন্ডভন্ড, তছনছ।

বই পড়ে কেউ দেওলিয়া না হলেও, বই বিক্রেতারা এখন পুরোপুরি দেওলিয়া হবার পথে!
লাইব্রেরি ব্যবসা একটি সম্মানজনক ব্যবসা। শিক্ষিত জাতি গঠনের অংশীদার। লাইব্রেরি ব্যবসা একটা নির্দিষ্ট এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক।

আমাদের নির্দিষ্ট সীমিত বেচাকেনা শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে আর কিছু গল্প উপন্যাস বিক্রি করে কষ্টসৃষ্টে জীবন চলে। এই মহামারীর দাবায় সব শেষ। আজ পুস্তক ব্যবসায়ীরা তিলে তিলে ধ্বংসের দিকে ধাবিত।

লাইব্রেরি গুলো চোখে পড়লে বড় মায়া, কষ্ট হয়। যারা জীবনভর জ্ঞান বিতরণ করে দোড়গোঁড়ায় পৌঁছে দিত, তাঁরা আজ মানবেতর জীবনের শেষপ্রান্তে উপনীত।

অথচ সকলের সামনে এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অন্ধকারের কালো মেঘে ঢেকে যাচ্ছে, বলার, দেখার কেউ নেই। বই ফেরিওয়ালারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে বিকশিত করে।

কিন্তু করোনার দোহায় দিয়ে আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, জানিনা আর কতদিন এভাবে বন্ধ থাকবে? শুধু আমরা বই ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্হ!! “শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড” সেই প্রবাদটা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে।

যে ভয়ে আজ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, সেই ছাত্র-ছাত্রীরা কি ঘরে বসে আছে? মোটেও না। বরং তারা রাস্তাঘাটে, মার্কেটে শপিংমলে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এতে করে আরো সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশী।

তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি দোষ করলো? যেহেতু আমরা বই ব্যবসায় আমাদের রুজি রোজগার করি সেহেতু আমরা এটা চাইবো সব খুলে দেওয়া হোক, নয়তো আমাদের এই ক্ষতি কিভাবে পূরণ হবে? আমাদের শুধু আল্লাহর উপর ভরসা করে পথ চেয়ে থাকা ছাড়া কোন উপায়ন্তর নেই।

বই ব্যবসা বাদ দিয়ে যে অন্য কোন ব্যবসায় যাব সেই পুঁজিও নাই, কি দিয়ে কি করবো ভেবে পাই না। জানিনা আল্লাহপাক ভাগ্যে কি রেখেছেন আমাদের জন্য। সম্মানিত, আভিজাত্যের ব্যবসা আজ লন্ডভন্ড, তছনছ।

বই পড়ে কেউ দেওলিয়া না হলেও, বই বিক্রেতারা এখন পুরোপুরি দেওলিয়া হয়ে যাচ্ছে। বই ব্যবসায়ীদের নীরব কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে যাচ্ছে।

বাঁচার সংগ্রাম আজ জটিল থেকে জটিলতম, কঠিন অবস্হা পরিবার-পরিজন নিয়ে। সম্মানিত ব্যবসা আজ অসম্মানের জায়গায়।

সুকেশে জুতা, ফুটপাতে বই, এই যেখানে অবস্হা, সেখানে বই ব্যবসায়ীরা কত অবহেলিত, অসম্মানিত অবস্হায় দিনাদিপাত করছে বুঝানোর ভাষা আমাদের নেই।

দেনায় দেনায় আমরা ধ্বংসের শেষপ্রান্তে।অর্ধাহারে-অনাহারে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনে কষ্টে-সৃষ্টে জীবন প্রদীপ নিবু নিবু।

মোট কথা, বই ব্যবসা ছিল আমাদের ধ্যান-জ্ঞান, এই ব্যবসার বিপর্যয় আমরা মনে-প্রাণে মেনে দিতে পারছিনা। সবচেয়ে ক্ষতির মিছিলে বই ব্যবসায়ীরা, কারণ শিক্ষিত জাতি গঠনে এরা ছিল নিয়ামকশক্তি, ঘরে ঘরে দোড়গোঁড়ায় বই পৌঁছে দিয়েছে।

এই দুঃসময়ে তাদের খবর নেওয়ার এবং সহযোগীতার হাত প্রসারিত করার কেউ নাই। এটাই জাতির দুর্ভাগ্য।

 



সর্বশেষ সংবাদ
রাজাপুরে শিক্ষকের বলতৎকার শিকার মাদ্রাসাছাত্র হাসপাতালে মহিপুরে শান্তি পূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু মেহেন্দিগন্জ কাজিরহাট থানার ধর্ষণ মামলার আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার মুলাদীতে চলছে মা ইলিশ ধরার মহা উৎসব; নিরব প্রশাসন মহিপুরে ইউপি নির্বাচনে ভোটারদের মাঝে ভয়-ভীতি দেখিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা ভুয়া ফেসবুক একাউন্টে মাধ্যমে সাংবাদিকের নামে অপপ্রচার টিসিবির মাধ্যমে ২৫ টাকা দরে আলু বিক্রির সিদ্ধান্ত পটুয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার আসামী সাথে নিয়েই মামলার তদন্ত করছেন তালতলী থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই গোলাম সরোয়ার বরিশালে আলু ৪০ টাকা দরে বিক্রি করায় দুই আড়তকে ১০ হাজার জরিমানা