• এক্সক্লুসিভ
  • »
  • সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরি করেও স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক তিনি !

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরি করেও স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক তিনি !

NewsBarisal.com

প্রকাশ : নভেম্বর ৮, ২০১৯, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট : রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় আওয়ামীলীগ। স্থানীয় সাংসদ কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক (সদ্য অব্যহতিপ্রাপ্ত) পংকজ নাথ। তার নির্বাচনী এলাকার উপজেলা সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে আওয়ামীলীগ সরকারের ১১ বছরে জিরো থেকে হিরো হয়েছেন তারই আস্থাভাজন ব্যক্তিটি।

উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষাসহ সরকারী সকল অফিস, সরকারী খাস জমি ও মেঘনার বালু মহাল নিয়ন্ত্রন করে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। তিনি তার দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদকের আস্থাভাজন হওয়ায় পরিবারের (নিজ পরিবার, শশুর, ভায়রা, ভগ্নিপতি) আটজনকে সরকারী চাকুরি, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও জনপ্রতিনিধি পদ দখলে নিয়েছেন। একইসাথে নিজে এবং তার স্ত্রী সরকারী প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন না করেই গত ১১ বছর যাবত বেতন-ভাতা ভোগ করছেন। সর্বমোট দশজনের এই বিশাল বাহিনীর কেউই চাকুরিস্থলে, শিক্ষার উন্নয়নে ও জনসেবার কল্যানে নিয়োজিত নয়।সবাই মিলে সরকারী বেতন-ভাতা ভোগ, সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎ ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করেন। বলছিলাম- বরিশালের হিজলা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক, উপজেলার দক্ষিণ বড়জালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম রিপন ও তার পরিবার-পরিজনের কথা।

গত সোমবার বরিশাল নগরীর রয়েল রেস্তোরায় এমপি পঙ্কজ নাথের দুর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্য সহ ১৬টি অভিযোগের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনের তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে পাওয়া যায় পিলে চমকে ওঠার মতো ঘটনা। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মাত্র ২৬শ’ টাকা বেতনে ২০০৬ সালে চাকুরি নেয়া রিপন আজ কত কোটি টাকার মালিক তিনি নিজেও তা জানেন না। গত ১১ বছরে তিনি হিজলায় নির্মাণ করেছেন দশ তলা ফাউন্ডেশনের তিন তলা মার্কেট।

৫/৬ কোটি টাকার ওই জমি এ্যানিমি সম্পত্তির। যা ক্রয়-বিক্রয় ও ভবন নির্মান সম্পূর্ণ অবৈধ। হিন্দু সংখ্যালঘুদের জমিটি ক্ষমতার জোড়ে নামমাত্র মূল্যে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রিপনের বিরুদ্ধে। কোটি টাকা ব্যয়ে গড়েছেন একটি খামার বাড়ী। ১৮০ শতাংশ জমির উপর গড়া খামার বাড়ী নির্মান করতে গিয়ে অবৈধভাবে দখলে নিয়েছেন পাশ্ববর্তী চরকুশরিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যালয়ের ১৫ শতাংশ জমি। কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে ক্রয় করেছেন হিজলা ও বরিশালে শতাধীক একর জমি।

শুধুমাত্র ২০১৫ সাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হিজলা উপজেলায় ক্রয় করেছেন এক কোটি টাকার উর্ধ্বে জমি। যার কিছু অংশ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো- মৌজা : খুন্না গোবিন্দপুর, জেএল নং-১২৫, দাগ নং-৪১১, ৪১২, ৪১৩ জমির পরিমান: ৬০ শতাংশ, দলিল নং-৯০৬ ও ১২৬৫ (সাল- ২০১৫) মূল্য: ৮,৩২,০০০ ও ১৯,৮৫,০০০/-, দলিল নং-১৬২০ তারিখ: ১০/১১/১৬ মূল্য: ৬০,০০০/-, দলিল নং-১৪৪৯ তারিখ: ৮/১২/১৭ মূল্য: ৬০,০০০/-, দলিল নং-১৮৭৫ তারিখ: ২৯/১২/১৭ মূল্য: ৫,৫২,০০০/-, দলিল নং-৭৭ তারিখ: ১৭/০১/১৯ মূল্য: ২৫,০০০/-, দলিল নং-১৬৯০ তারিখ: ১৪/১১/১৮ মূল্য: ২০০,০০০/- টাকা। এছাড়াও কোটি টাকায় কিনেছেন রাজধানী ঢাকায় ফ্ল্যাট। নিজেদের ভূমিহীন দাবী করে আত্মীয়-স্বজনের নামে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েকশ একর সরকারী খাস জমি। স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে ২৬শ’ টাকা বেতনে শহিদুল ইসলাম রিপন ও তার স্ত্রী রোজিনা ইয়াসমিনের চাকুরি হয় দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

বর্তমানে রিপন ১৭ হাজার ৮৫০ টাকা বেতনে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত আছেন হিজলা উপজেলার দক্ষিণ বড়জালিয়া সরকারী প্রা: বিদ্যালয়ে এবং ১৭ হাজার ১শ’ টাকা বেতনে স্ত্রী রোজিনা কর্মরত বড়জালিয়া বোর্ড সকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। উপজেলা সদরের বড়জালিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন খানের ছেলে রিপন খান চাকুরি জীবনে প্রবেশের আগে নুন আন্তে পান্তা ফুরাতো। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমান এতোই বেড়েছে যে, নিজ গ্রামের মানুষও হতভাগ।

এছাড়াও এক পরিবারের এতো সদস্যের সরকারী চাকুরি সহ নানা সুবিধাজনক স্থানে অবস্থানকে ক্ষমতার অপব্যবহার-ই নয়, বরং গ্রামবাসীর প্রশ্ন “কেবল তারাই কি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত”? বর্তমান সরকারের মেয়াদে (পঙ্কজ নাথ এমপি হবার পর) রিপন খানের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে সরকারী নিয়োগপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক রিপনের আপন ভাই খোকন খান (নৈশ প্রহরি কাম দপ্তরি) ৪৪ নং দক্ষিণ বড়জালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। তার নিয়োগ অবৈধ বলে জানিয়েছেন একাধীক শিক্ষক। বাড়ী থেকে দশ কিলোমিটার দূরত্বের ওই স্কুলে তার নিয়োগ বিধি বর্হিভূত।

জানা যায়, বড় ভাই সহকারী শিক্ষক আর ছোট ভাই দপ্তরি হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিতে যেন তাদের নিজস্ব আইন। রিপন গত ১১ বছর যাবত যেভাবে ক্লাস ফাঁকি দিচ্ছে তেমনি ছোট ভাইও স্কুলে আসেনা। মাঝে মধ্যে এসে হাজিরা খাতা বাড়ী নিয়ে দুই ভাই মিলে স্বাক্ষর প্রদান করেন। অপর ভাই: আলা উদ্দিন। তিনি হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মালি পদে কর্মরত রয়েছেন। বড় ভাই রিপন এমপি পঙ্কজের ডান হাত হওয়ায় সে যেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিজের ঘর-বাড়ী বানিয়ে ফেলেছেন।

হাসপাতালের গাছ-পালা বিক্রি করছে প্রায়শই। তাকে প্রতিরোধ করার সাহস নেই কারো। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর ভাইদের ন্যায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরি পদে চাকুরি ভাগিয়ে নিয়েছে বাগিনা হানিফের জন্য। সে উপজেলার উত্তর বড়জালিয়া স: প্রা: বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরি পদে কর্মরত থাকলেও স্কুলের আশপাশেও ভিড়েনা। একইভাবে আপন বোনকে ভোট কেন্দ্র দখল করে মেম্বার নির্বাচিত করেছেন।

খালেদা আক্তার নামে রিপনের ওই বোন বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার। শ্যালক একে আজাদকে বানিয়েছেন উপজেলার পূর্ব শ্রীপুর স: প্রা: বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। একই স্কুলে অপর শ্যালক আল আমিনকে (শারিরিকভাবে অক্ষম) নৈশ প্রহরি কাম দপ্তরি পদে নিয়োগ ভাগিয়ে নিয়েছেন রিপন খান।

শ্যালক একে আজাদের শ্বশুর লাল মিয়াকে অবৈধভাবে সভাপতি বানিয়েছে দূর্গাপুর স: প্রা: বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির। শ্যালিকা নাসিমা আক্তারকে সহকারী শিক্ষক পদে চাকুরি পাইয়ে দিয়েছে রিপন। বর্তমানে সে উপজেলার দূর্গাপুর স: প্রা: বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকলেও স্কুলে অনিয়মিত। ভায়রা নুর মোহাম্মাদ প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছে হিজলা সরকারী প্রা: বিদ্যালয়ে।

সরকারী দপ্তরগুলো থেকে বিশাল এই বাহিনী বেতন-ভাতা সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি অবৈধ উপায়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করলেও তাদের দুর্নীতি প্রতিরোধে কেউ টু-শব্দ করার সাহস নেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এমপি পঙ্কজ নাথের ডান হাত হিসেবে চিহিৃত উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক রিপন খান ও তার পরিবারের একাধীক সদস্য প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তওে কর্মরত থাকায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রন করছে সে। কোন শিক্ষক বদলি বা অর্থ বরাদ্ধ রিপনের নির্দেশনা ছাড়া হয়না।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখতে রিপন তার আস্থাভাজন উপজেলা সদরের টিটিএন্ডডিসি স: প্রা: বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেনকে বদলি করে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে বসিয়ে রাখছে। তার (জাকির) প্রতিদিনের ডিউটি কোন শিক্ষক কি কাজ নিয়ে শিক্ষা অফিসে আসে তা জানা এবং রিপনের হয়ে অর্থের বিনিময়ে তা সমাধান করা।

এ কাজে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কখনো বিরোধীতা করলে সাথে সাথে রিপনের মাধ্যমে ফোন করে শাসানো হয় শিক্ষা কর্মকর্তাকে। এ বিষয়ে উপজেলার প্রধান শিক্ষকরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবরে আবেদন করলেও কোন প্রতিকার পায়নি। কারণ বারবার স্থানীয় সাংসদ পঙ্কজ নাথের মাধ্যমে বিষয়গুলো ম্যানেজ করা হয়।

এছাড়া রিপনের নেতৃত্বে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে উপজেলার সরকারী খাদ্য গুদাম। তার বেঁধে দেয়া অর্থের বিনিময়ে টিআর-কাবিখা অথবা অন্যান্য বরাদ্ধের চাল-গম বিক্রি করতে বাধ্য হন বিভিন্ন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। গত ১১ বছর যাবত রিপন তার কয়েকজন সহযোগী নিয়ে এ কাজ করছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, রিপনের দুই ভাই খোকন ও আলা উদ্দিন এবং ভাগিনা হানিফ সরকারী চাকুরি করলেও তারা কেউ দায়িত্ব পালন করেনা। তাদের মাধ্যমে রিপন খান উপজেলা ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ টিপুর ছোট ভাই সাহেব সিকদারের ইয়াবা ব্যবসার নিয়ন্ত্রন হাতছাড়া হওয়ার পর রিপন খান তার আয়ত্বে নেয় মরননেশার এই ব্যবসার নিয়ন্ত্রন।বর্তমানে তাদের একক নিয়ন্ত্রনে উপজেলার সর্বত্র ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চলছে। হিজলা বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত দুই বছর রিপন খান তার দুই ভাই ও বাগিনা সহ আত্মীয়-স্বজনের নেতৃত্বে যে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে সেখান থেকে উপার্জিত অর্থে রিপন খান আজ অঢেল সম্পত্তির মালিক।

এছাড়াও রিপনের নিয়ন্ত্রনে হিজলার চরাঞ্চলের খাস জমি ও মেঘনার বালু মহাল। সেখান থেকে সে অবৈধ উপায়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা। এমপি পঙ্কজের ক্ষমতার দোহাই দিয়ে রিপন উপজেলার সহকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ ভাগিয়ে নেন।

ওই পদের দোহাই দিয়ে বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করে তা আত্মসাত করেন সে। এমনকি অনেক সময় তাদেরকে এমপি পঙ্কজের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপস্থিত থাকতে বাধ্য করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। রিপনের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। সে সম্পূর্ণ চাকুরি বিধি অমান্য করে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে এজেন্ট হয়েছে।

বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী পন্ডিত সাহাবুদ্দিনের পোলিং এজেন্ট হয়ে ৩ নং ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন। এদিকে একজন সহকারী শিক্ষক হয়ে ১৩ বছর যাবত স্কুল ফাঁকি দেওয়া, প্রাথমিক শিক্ষা সেক্টরকে পরিবারতন্ত্র করা, সরকারী চাকুরি করে বিধি বর্হিভূতভাবে নির্বাচনে নৌকার এজেন্ট, আত্মীয়-স্বজনের নামে খাস জমি বন্দোবস্ত নেয়া, ভাই ও ভাগিনার নেতৃত্বে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রন, ভাই-ভাগিনা দপ্তরি পদে নিয়োগ পেয়েও স্কুলে অনুপস্থিত থাকা, হাসপাতালে কর্মচারী পদে কর্মরত ভাইর নেতৃত্বে সম্পত্তি তছরুপ করা, ভোট কেন্দ্র দখল করে বোনকে ইউপি সদস্য নির্বাচিত করা ও শত শত একর জমি ও সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও হিজলার স্থানীয় সাংবাদিকরা তার অনিয়ন-দুর্নীতি ও দখল আর মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে লিখতে সাহস পায়না। কারণ স্থানীয় সাংবাদিকদের রিপন খান সর্বদা তটস্থ রাখেন থানা পুলিশ ও তার ভাই-ভাগিনার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ইয়াবা বাহিনীর মাধ্যমে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বেশ কয়েকজন সাংবাদিক বলছেন- ভাই আমরা ভালো আছি, ভালো থাকতে দিন। আপনারা লিখবেন কিন্তু এর রেশ আমাদের পোহাতে হবে! এ বিষয়ে কথা বলার জন্য রিপনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 



সর্বশেষ সংবাদ
%d bloggers like this: